উপন্যাস : গিরগিটির প্রেমে মায়াবতী পাগল
লিখিকা : সুমাইয়া শেখ
পর্ব : ১
পুড়ান ঢাকার এক কোনে জন্ম সুমাইয়া শেখের
তারা ৩ বোন ছিলো বড় দু বোনের বিয়ে হয়ে গেছে অনেক আগেই তাদের বাচ্চা গাচাও হয়ে গেছে বড় বোনের দুই টা মেয়ে মেজো বোনের এক টা ছেলে
তাদের সাথে সুমাইয়ার কোন সম্পর্ক নেই
না থাকার কারণ এক টাই সুমাইয়া যখন ৭ বছর বয়স ছিলো তখন তার বাবা অন্য এক টি মেয়ে কে ভালোবেসে তাকে বিয়ে করে ফেলে এবং তার মা কে ছেড়ে চলে যায় সুমাইয়ার মা ও আরেক টি বিয়ে করে সুমাইয়া কে ছেড়ে চলে যায় সুমাইয়ার তখন ৯ বছর বয়স ছিলো তখন সে ক্লাস 5 এ পড়তো, মার বিয়ে হবে যেনে সুমাইয়া অনেক আটকানোর চেষ্টা করে ছিলো কিন্তু কাজ হয় নি সুমাইয়া প্রচুর কান্না করে ছিলো সে দিন এক পর্যায় সুমাইয়া সেন্সলেস হয়ে যায় তবুও তার মা র পাষান মন টি গলে নাই,, সুমাইয়া ছোট থেকে টম বয় ছিলো,, মানে সে মেয়ে ছিলো ঠিকি কিন্তু ছেলেদের মতো চলা ফেরা ছেলেদের মতো আচরণ ছেলেদের মতো অনুভতি ছেলের মতো নজর,, সুমাইয়া তখন যানতো নাহ যে সে যে লেসবিয়ান এন্ড টম বয়
সুমাইয়া দেখতে ছিলো শ্যামবর্ণ কিন্তু তাকে শ্যামবর্ণ বললেও ভুল হবে,, কারণ সুমাইয়া যখন গোসল করতো তখন তাকে ফর্সা দেখা তো৷ যখন বাহিরে বেড় হতো তখন তাকে কালো দেখা তো আবার যখন ঘরে থাকতো তখন তাকে শ্যামবর্ণ লাগতো রোদে গেলে তার চেহারা টা রোদের আলোতে চিকচিক করতো এক টা মানুষের যে কতো প্রকার রং থাকে তা সুমাইয়া কে নাহ দেখলে বুঝা যাবে নাহ |
সুমাইয়া ছোট থেকে একাই বড় হতে শুরু করলো সে বুঝে গেছে এই স্বার্থের দুনিয়ায় কেউ কারোর নয়! দাদার রেখে যাওয়ার বাড়ি টাই তার জীবনের শেষ সম্বল রয়েছে | সুমাইয়ার এক টা চাচাতো বোন রয়েছে চাচাতো বলতে নিজের চাচাতো নয়! সুমাইয়ার দাদার ফুফাতো বোনের ছেলে!
মেয়ে টির নাম পাপিয়া পিউ সওদাগর
তার বাবা ব্যাবসাই ছিলেন তার বাবা কে সওদাগর সাহেব হিসাবেই চিনেন
পাপিয়া কে আদর করে সবাই পুচে পিউ নামে ডাকে পুচে পিউ দেখতে যেমন ছিলো! তার গায়ের রং ছিলো উজ্জ্বল ফর্সা লাবণ্য সুন্দর তার চোখ দুটো ছিলো হরিণ চোখ তার চুল গুলো ছিলো কমর ছাড়িয়ে হাঁটু পর্যন্ত! তার চুল গুলো দিঘন কালো চুল একে বারে সোজাও নাহ আবার কোকরাও নাহ
তার চুল গুলো ঢেউ খেলানো চুল! যে কেউ দেখলে মাতাল হয়ে যাবে তার রুপে তার রুপে এ প্রকার অদ্ভুত মায়া ছিলো পুচে পিউর অনেক ছেলেরাই পুচে পিউর জন্য পাগল কিন্তু তাদের সাহস হয় নাহ তার কে কিছু বলার ও তার দিকে তাকানোর
এক বার এক টি ছেলে পুচে পিউর কে বলেছিলো আমি তোমাকে ভালোবাসি আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই পুচে পিউ ওই ছেলে টা কে কিছু নাহ বলেই চলে আসে বাড়ি এসে তার মা কে এই কথা বলে সেই কথা সুমাইয়া শুনে ফেলে তখন পুচে পিউ কে যেয়ে বলছে কে বলছে পুচে পিউ বললো আমি চিনি নাহ সুমাইয়া বললো কোথায় বলছে পুচে পিউ বলো কেনো সুমাইয়া রাগি কন্ঠে ঝাড়ি দিয়ে বললো বলতে বলছি বল এতো কথা বলিস কেন ছোট মানুষ ছোট দের মতো থাকবি পুচে পিউ ভয়ে কাপা কাপা কন্ঠে তুমি কিছু করবে নাহ তো তখন সুমাইয়া রাগি কন্ঠে বললো বলবি নাকি মাইর খাবি পুচে পিউ কান্না করে দিলো সুমাইয়া রাগের মাথায় পাশে থাকা গ্লাস টা আছার দিয়ে বললো জানু*য়ার মাথা গরম হওয়ার আগে বল কে বলছে না হলে থাপ্পড়াইয়া গাল লাল করে ফেলবো! গ্লাস ভাঙ্গার শব্দ পেয়ে নুরজাহান সওদাগর উপরের ঘরে গেলেলো নুরজাহান সওদাগর ছিলো পাপিয়া পিউ সওদাগরের মা! নুরজাহান ঘরের বেতর ডুকে বললো কি হয়ে ছে এতো চেঁচামেচি কিসের আর কিসের শব্দ হইলো পুচে পিউ তার মা কে দেখে এক দৌড়ে জড়িয়ে দরলো জড়িয়ে দরে কান্না করেতেছে তার পর সে সুমাইয়া কে বললো কি হইছে পুচে কান্না করে কেন সুমাইয়া রাগীশরে বললো কোন ছেলে ওকে প্রপোজ করছে আমি জানতে চেয়েছি! তারপর ও আমাকে উল্টো প্রশ্ন করতেছে! নুরজাহান বললো তোকে কত বার বলবো ওর সাথে জোরে কথা বলবি নাহ ও তোকে দেখে এমনি তেই অনেক ভয় পায় | ভয় পাওয়ার কি আছে আমি বাঘ নাকি ভাল্লুক যে আমাকে ভয় পেতে হবে নুরজাহান বললো বাঘ ভাল্লুক ও ভালো আছে তোর থেকে! সুমাইয়া বললো আমি কি করছি আমাকে দেখে এতো ভয় পাওয়ার কি আছে
নুরজাহান বললো সারাদিন নেশা পানি করোস মাস্তানি করোস আবার জিজ্ঞাস কি করছি |
বাপ চাচা যেমন হইছে সেই রকমি হইছে তোরে দেখে কেউকি বলবো তুই যে এক টা মাইয়া |
সুমাইয়া বললো আমার যেবাবে চলার ইচ্ছে আমি সেইভাবে চলবো তাতে তোমার কী | নুরজাহান বললো তোর চললা ফেরা নিয়েতো সমস্যা নাহ সমস্যা তো তোমার এই গুন্ডামি নিয়ে যারে ইচ্ছে তারেই মারোস চাচাদের মতো এক নাম্বারে খু*নি হইছো কত মানুষ যে মারছোস এক আল্লাহ জানে আর তোরাই জানিস মাইয়া মানুষ হয়ে এমন করোস নাহ জানি ছেলে হলে কি করতি আর ছেলে হওয়ারি কি দরকার ছেলেদের মতে এক টা শরিল বানাইছে পোশাক গাছাক চুলের কাটিং সবি তো ছেলে তোরে দেখে কেউ কি বলবে তুই যে এক টা মাইয়া মানুষ সুমাইয়ার রাগ আরো বেড়ে গেলো রেগে বলবো কে কি বলতো তাতে আমার কি এক দিন না খেয়ে থাকলে কোনো শালায় খাওন দিয়া যাবোনি এতো কথা বুঝি নাহ তোমার মাইয়ারে বলো কে কি কইছে বলতে | নুরজাহান বললো আমি কিছু জানি নাহ ও স্কুল থেকে আসার সময় কোন ছেলে কি কইছে জানি নাহ তোর এতো দরত তুই যেয়ে খুজে নে! সুমাইয়া কিছু নাহ বলেই তার বাসার বাসার থেকে বাইকের চাবি নিয়ে চলে গেলো পুচে পিউর স্কুলে দিকে!
এদিকে পুচে পিউ এখনো তার মার বুকে মুখ গুজে ফুপিয়ে কান্না করতেছে! নুরজাহান তার মেয়ের অস্ত্র ভেজা মুখটি উঠিয়ে আলতো করে তার শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখটি মুছে দিলো আর বললো আম্মু কান্না করে নাহ আমার লক্ষী মেয়ে আমার সোনামণি ওকে বকে দিছি তো আর কান্না করে নাহ
তোমার আব্বু কে আসার সময় চকলেট নিয়াস তে বলবো কান্না করে নাহ আমার কলিজা টুকরা পুচে পিউ কান্না থামিয়ে বললো ও আমার সাথে সব সময় এমন করে কথা বলে কেন তখন ওর আম্মু বললো ও তো পচা দুষ্টু বেয়াদব এক টা! তুমি যাও ফ্রেশ হয়ে নাও খাবার আমি খাবার বারতেছি পুচে বললো আচ্ছা যাও আমি আসতেছি নুরজাহান বললো আচ্ছা তারাতারি আসো নুরজাহান নিচে চলে গেলো আর পুচে পিউ ফ্রেশ হতে চলে গেলো | অন্য দিকে সুমাইয়া পুচে পিউর স্কুল মাঠে গিয়ে বললো কোন খানকি মাগির পোলা আমার বোনের দিকে তাকাইছে এক বাপের বেডা হলে সামনে আর তোর কলিজা কতো বড় আজ দেখে ছাড়বো | যে ছেলে টি পুচে কে প্রপোজ করছে তার বন্ধু কে যেয়ে বলছে কোন মাঙ্গির*পোলা আমার বোনের দিকে তাকাইছে ক নয় তো তোরে সহ চান্দের টিকিট কাটিয়ে দিবো, ছেলেটি ভয়ে বলে দিছে পাশের গলিতেই বসে আছে ওই কথা টা শুনার পর সুমাইয়া আর এক মুহূর্ত না দারিয়ে সোজা চলে গেলো ওই ছেলের কাছে যেয়ে বললো
তুই আমার বোনের দিকে কোন সাহসে তাকাইছোস তোর এতো সাহাস কে দিছে ছেলে টা বললো আমি শুধু বলছি আমার তোমাকে ভালোলাগে আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই সুমাইয়া বলে উথলো ওর বয়স দেখছোস আর বিয়ের কথা বলবি তা ওর কাছে কেন ওর কি বাপ মা নাই! ছেলে টা বলে উথলো হু আছে!
সুমাইয়া বললো তাহলে তুই ওরে কেন বলছোস
ছেলে টা বললো এমনি ও যদি রাজি থাকে তাহলেই তো কোর বো!
সুমাইয়া বলে উথলো তোর বয়স কতো!
ছেলেটা বললো! ১৭
সুমাইয়া বললো, কাজ কাম কি করিস
ছেলেটা বললো এখন কিছু করি নাহ "
সুমাইয়া বললো কিছু করিস নাহ তাহলে বিয়ের প্রস্তাব দেশ কেমনে, আর ওকে বিয়ে করে তুই কি খাওয়াবি "
ছেলেটা বললো, এখন কিছু করি নাহ পড়াশোনা শেষ করে কাজ শুরু করবো,
সুমাইয়া বললো তুই পড়াশোনা শেষ করবি কবে কাজ করবি কবে সেটা তোর ব্যক্তিগত ব্যাপার বর্তমানে কি করিস সেটা বল,
বউ পালাকি মুখের কথা বললি আর হয়ে গেলো '
ছেলে টা বললো কাজ করি নাহ তো কি হইছে আমার যা আছে তা দিয়ে তোমার বোনের মতো ১০০ টা কে পালতে পারবো,
সুমাইয়া, রহস্যময় হাসি দিয়ে বলল টাকার গরম দেখাতে আসবি নাহ৷ তোর মতো ছেলে আমার বোনের পা চাটার যোগ্যতা ও নাই,
ছেলে টা বললো সুন্দর চেহারা থাকলেই যে সে তার যোগ্যতায় থাকবো না কোনটা নয় সুন্দর নারী তো বাজারেও পাওয়া যায়,
সুমাইয়ার হাত মুথ করে নিলো রাগে গজ গজ করতে ছে তার চোখ দুই টা লাল হয়ে গেছে
তার পর শান্ত কন্ঠে বললো টাকা দিয়া মা*গি পাবি নারী নাহ নারী যদি টাকার কাছে বিক্রি হত তাহলে ওই টাকার টানে কিন্তু তোর মাও আসছিল তোর বাপের কাছে!
ছেলে টা রাগের মাথা বললো তোর বোনের সাথে আমার মা র তুলনা করিস তোর বোন কে ১০ টাকার চকলেট কিনে দিলেই দেহ দিতে রাজি আসছিস তুই আমার মার সাথে তোর বোনের তুলো নাহ করতে,
সুমাইয়া রাগ আর কন্ট্রোল করতে পারলো নাহ,
ছেলে টাকে তার শক্ত বাহু দিয়ে তুলে এক আছরে তার শরীরে মাংস পিশি ঘায়েল করে ফেলেছে
তার পকেট থেকে রুমাল বের করে সুমাইয়া হাতে শক্ত করে বেঁধে নিছে তার পর ছেলে টার মুখ বরাবর এক টা ঘুসি দিয়ে বলল তোর কলিজা অনেক বড় হয়ে গেছে তুই আমার বোনের দিকে তাকাইছোস তার উপর তুই বাজে কথা বলছোস তোকে আজ মেরে তোর গোস্ত কুত্তারে দিয়ে খাওয়াবো,
আশেপাশে অনেক লোকজন জড়ো হয়ে গেল কিন্তু কেউ ছেলেটাকে বাঁচাতে আসলো না! আর আসবেও নাহ সুমাইয়া ছিলো এক জন মাফিয়া গ্যাংর লিডার ওর উপর কথা বললার সাহস কারোর নেই পুলিশ দের পযন্ত নাচায় সে সুমাইয়ার বয়স ১৫ কিন্তু তার পাওয়ার এবং শক্তির কাছে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে মেয়ে রাউ হার মান বে সুমাইয়া বাবা চলে যাওয়ার পর থেকে সুমাইয়া প্রতিদিন এক্সারসাইজ করতো আর বর্তমানে তার শরিলের গঠন এক টা প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেদের মতো সিক্স প্যাক অ্যাবস (Six-pack abs)
তার চুলের কাটিং Taper Wolf Cut
প্রথম দেখায় কেউ বলবে নাহ সে যে একজন মেয়ে
সে যদি নিজ থেকে নাহ বললে বা আর কন্ঠ নাহ শুনে তাহলে কেউ বলতে পারবে নাহ সে যে এক টা মেয়ে !
সুমাইয়া ছেলে টাকে এমন মার মারছে যে ছেলে টা সেন্সলেস হয়ে গেছে এমন কী তার শরীর অনেক জায়গা থেকে রক্ত বের হছে প্রচুর পরিমানে!
সুমাইয়া আর কিছু না করে ছেলে টা কে এক লাথি দিয়ে চলে আসলো বাড়ির দিকে বাসা এসে সুমাইয়া গোসল করে এক টা ঢোলা বব্ল্যা কালারের টাউজার আর এক টা ব্ল্যাক কালারের টি শার্ট
পড়ে মাথা চুল মুছতে মুছতে ডাইনিং টেবিলের দিকে যাছে, পুচে পিউ সুমাইয়ার বাইকের শব্দ শুনে খাবার নিয়াসছে সুমাইয়ার বাসার কাজের মেয়েটি ছুটি তে গেছে কিছু দিনের জন্য তাই তার চাচি বাসায় খাবার খায় সুমাইয়া আবার রান্না করতে পারে নাহ তার জন্য সে রান্নার জন্য আলাদা একটি লোক রেখেছে, পুচে পিউ খাবার রেখে চলে যাবে এই সময়, সুমাইয়া পিছন থেকে ডাক দিয়ে বললো এই পিচ্চি দাড়া সোফার উপর তোর জন্য আনা চকলেট টা নিয়ে যা, সুমাইয়ার কথা শুনে পুচে পিউ এক বার পিছে তাকারলো সুমাইয়া দিকে একবার তাকিয়ে সোজা সোফার উপর রাখা চকলেট টা নিতে চলে গেলো!
সুমাইয়া পিছন থেকে বললো আস্তে দোড় দে পড়ে যাবি তো, পুচে পিউর ওই দিকে কোন খেয়ালি নেই সে এক দৌড়ে চকলেটের কাছে চলে গেলো,
চকলেট টা নিয়ে পুচে পিউ আরেক টা দৌড়ে সোজা বাসায় চলে গেলো!
সুমাইয়া ওর কান্ড গুলো দেখলো!
তার পর মুচকি এক টা হাসি, দিয়ে বললো পাগলী এক টা,,!
পুচে পিউ নাচতে নাচতে বাসা গেলো, মা নুরজাহান ডাক দিয়ে বললো কি হইছে নাচতে নাচতে আসতেছেন কেনো মহারানী,,!
পুচে পিউ হাসি দিয়ে বললো অপ্পা চকলেট দিছে!
নুরজাহান বললো একটু আগেই তো অপ্পাকে কত কিছু বললাহ এখন আবার অপ্পা দেওয়া চকলেট নিনালহ, পুচে পিউ হাসি দিয়ে বললো হা হা হা
আমি আমার অপ্পার চকলেট নিছি তাতে কি হইছে, আমি আরো নিবো এটা বলে পুচে পিউ এক দোরে তার রুমে চলে গেলো,!
সুমাইয়া খাবার শেষ করে নিজের রুমে গেলো
তার ফোন টা হাতে নিয়ে কিছু কখন দেখছিলো
এরি মধ্যে এক টা কল আসলো আননোন নাম্বার
সুমাইয়া ব্রু কুঁচকে বললো এই সময় আননোন নাম্বার থেকে কে কল করবে সুমাইয়া ভাবতে ভাবতে কল টা কেটে গেলো পরে আবার কল দিলো ওই পাস থেকে বেসে উঠল এক পুরুষাআলি কন্ঠ
পুরুষ টি বলে উঠল কি হইছে,
সুমাইয়া বললো কথায় কিছু তো হয় নাই
পুরুষ টি আবার বলে উঠলো,
আরাফ চৌধুরী ছেলে মাহিম চৌধুরী কে তুই নাকি
মারছিস,
সুমাইয়া উত্তরে বললো, হুম,,
পুরুষ টি বললো কেন,
সুমাইয়া বললো ও পুচে পিউ দিকে নজর দিছে আর ও অনেক উল্টাপাল্টা কথা বলছে পিউ কে নিয়ে,
পুরুষ টি বলে উঠলো ছেলে টি কি বেঁচে আছে,
সুমাইয়া বললো হুম সেন্সলেস হয়ে গেছে শরীর দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত রক্ত বয়ে গেছে তাই ছেড়ে দিছি,
পুরুষ টি বলে উঠলো, ওরে বাঁচিয়ে রাখছিস কোন সাহসে রাগে উম্মত হয়ে বললো ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি ওর লাশ চাই ও কার মেয়ের দিয়ে নজর দিছে সেটা আমি দেখে ছাড়বো
সুমাইয়া বলে উঠলো শান্ত হও আমি দেখতেছি ও যদি মাটির নিচেও থাকে ওই খান দেকে হলেও ওকে তুলে নিয়াস বো,,
সুমাইয়া আবার বলে উঠলো এই নাম্বার টি কার
উত্তরে বলল : এটা নতুন সিম সেফ করে রাখ
সুমাইয়া বললো ঠিক আছে
পুরুষ টি ছিলো পুচে পিউর বাবা পিয়াস সওদাগর,
উনি ব্যবসার কাজে দেশের বাহিরে আছেন বর্তমান
সুমাইয়া ফোন টা রেখে, ফোন দিলো তার ডেরাই
সুমাইয়া ছিলো নাম করা মাফিয়া লিডার,
মেয়ে টা খুব অল্প বয়স থেকে কষ্ট পেতে পেতে
ভয়ংকর এক টা জানো*য়ারের রুপ নিছে,
এতে তার চাচা তাকে কিছু বলে নাহ কারণ
তাদের বংশ টা জুরে মাফিয়া গুন্ডায় ভরপুর,
কিন্তু তাদের সব গ্যাং গের থেকে,
সুমাইয়ার গ্যাং গের পাওয়ার সব থেকে বেশি,
থাকার কারণ হলো,
তাদের গ্যাং গের সাথে পুলিশ পাওয়ার আছে
তাদের নিজের পার্সোনাল জস উকিল রয়েছে,
তাদের টাকার দিক দিয়েও পাওয়ার আছে,
আর সে কারণে পিয়াস সওদাগর শুধু সুমাইয়ার
গ্যাং গের সাথেই হাত মিলিয়েছে পিয়াস সওদাগর
সাদা মাঠা ভাবে চললেও তারা ছিলো অত্যন্ত ধনী
সুমাইয়া তার পিস্ত*ল টি বের করে নিয়ে সোজা চলে গেলো নিচে,,,,
নিচে গিয়ে সে সোফা থেকে বাইকের চাবি টা নিলো
নিয়ে সে আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে চলে গেলো
মাহিম চৌধুরী কে খুজতে,,
মাহিম চৌধুরী ছিলো
চৌধুরী বংশের মেজো ছেলে,,
তার বাবা ছিলো একজন শিল্পপতি
মাহিম চৌধুরীর চরিত্র ভালো নয়
সে হাজার হাজার মেয়ের সাথে
ফার্টিং করে মেয়ে দের দেহ৷ ভোগ করে ছেড়ে দেয়
সে প্রথমে বিয়ের প্রস্তাব দেয় তার পর মেয়ের সাথে
মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে তাদের কে ঘায়েল করে
সে এমন ভাবে কথা বলে যে কোন মেয়েই গলে যেতে বাধ্য,,
এক টা কথায় আছে,, দুষ্টু লোকের মিষ্টি কথা, ঠিক
তেমন,,
সে মেয়েদের কে বলে আর কয় দিন পর তো তোমাকেই বিয়ে করবো তাহলে দিলে সমস্যা টা কই
এই ভাবে ও হাজার মেয়ের জীবন নষ্ট করছে,,
ওর বয়স টা কম হলেও ওর চরিত্র খাদের থেকেও জঘন্য
চলবে,,,!
